নৈবেদ্য — ৩৫

রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর (1861–1941)

কালি হাস্যে পরিহাসে গানে আলোচনেঅর্ধরাত্রি কেটে গেল বন্ধুজন-সনে;আনন্দের নিদ্রাহারা শ্রান্তি বহে লয়েফিরি আসিলাম যবে নিভৃত আলয়েদাঁড়াইনু আঁধার অঙ্গনে। শীতবায়বুলালো স্নেহের হস্ত তপ্ত ক্লান্ত গায়মুহুর্তে চঞ্চল রক্তে শান্তি আনি দিয়া।

মুহূর্তেই মৌন হল স্তব্ধ হল হিয়ানির্বাণপ্রদীপ বিক্ত নাট্যশালা সম।চাহিয়া দেখিনু উর্ধ্ব-পানে; চিত্ত মমমুহূর্তেই পার হয়ে অসীম রজনীদাঁড়ালো নক্ষত্রলোকে।

হেরিনু তখনি—খেলিতেছিলাম মোরা অকুণ্ঠিত মনেতব স্তব্ধ প্রাসাদেব অনন্ত প্রাঙ্গণে।