নৈবেদ্য — ৪৬
মাতৃস্নেহবিগলিত স্তন্যক্ষীররসপান করি হাসে শিশু আনন্দে অলস—তেমনি বিহ্বল হর্ষে ভাবরসরাশিকৈশোরে করেছি পান; বাজায়েছি বাঁশিপ্রমত্ত পঞ্চম সুরে, প্রকৃতির বুকেলালনললিতচিত্ত শিশুসম সুখেছিনু শুয়ে; প্রভাত-শর্বরী-সন্ধ্যা-বধূনানা পাত্রে আনি দিত নানাবর্ণ মধুপুষ্পগন্ধে মাখা।
আজি সেই ভাবাবেশসেই বিহ্বলতা যদি হয়ে থাকে শেষ,প্রকৃতির স্পর্শমোহ গিয়ে থাকে দূরে—কোনো দঃখ নাহি। পল্লী হতে রাজপুরেএবার এনেছ মোরে,দাও চিত্তে বল—দেখাও সত্যের মূর্তি কঠিন নির্মল।