মিষ্টান্বিতা
প্রহাসিনী
যে মিষ্টান্ন সাজিয়ে দিলে হাঁড়ির মধ্যেশুধুই কেবল ছিল কি তায় শিষ্টতা।যত্ন করে নিলেম তুলে গাড়ির মধ্যে,দূরের থেকেই বুঝেছি তার মিষ্টতা।সে মিষ্টতা নয় তো কেবল চিনির সৃষ্টি,রহস্য তার প্রকাশ পায় যে অন্তরে।তাহার সঙ্গে অদৃশ্য কার মধুর দৃষ্টিমিশিয়ে গেছে অশ্রুত কোন্ মন্তরে।বাকি কিছুই রইল না তার ভোজন-অন্তে,বহুত তবু রইল বাকি মনটাতে—এমনি করেই দেবতা পাঠান ভাগ্যবস্তেঅসীম প্রসাদ সসীম ঘরের কোণটাতে।সে বর তাঁহার বহন করল যাদের হস্তহঠাৎ তাদের দর্শন পাই সুক্ষণেই—রঙিন করে তারা প্রাণের উদয় অস্ত,দুঃখ যদি দেয় তবুও দুঃখ নেই॥
হেন গুমর নেইকো আমার, স্তুতির বাক্যেভোলাব মন ভবিষ্যতের প্রত্যাশায়।জানি নে তো কোন খেয়ালের ক্রুর কটাক্ষেকখন বজ্র হানতে পার অত্যাশায়।দ্বিতীয়বার মিষ্ট হাতের মিষ্ট অন্নেভাগ্য আমার হয় যদি হোক বঞ্চিত,নিরতিশয় করব না শোক তাহার জন্যেধ্যানের মধ্যে রইল যে ধন সঞ্চিত।আজ বাদে কাল আদর যত্ন নাহয় কমল,গাছ মরে যায় থাকে তাহার টবটা তো।জোয়ারবেলায় কানায় কানায় যে জল জমলভাঁটার বেলায় শুকোয় না তার সবটা তো।অনেক হারাই, তবু যা পাই জীবনযাত্রাতাই নিয়ে তো পেরোয় হাজার বিস্মৃতি।রইল আশা, থাকবে ভরা খুশির মাত্রাযখন হবে চরম শ্বাসের নিঃসৃতি॥
বলবে তুমি, ‘বালাই! কেন বকচ মিথ্যে,প্রাণ গেলেও যত্বে রবে অকুণ্ঠা।”বুঝি সেটা, সংশয় মোর নেইকো চিত্তে,মিথ্যে খোঁটায় খোঁচাই তবু আগুনটা।
অকল্যাণের কথা কিছু লিখনু অত্র,বানিয়ে-লেখা ওটা মিথ্যে দুষ্টুমি।তদুত্তরে তুমিও যখন লিখবে পত্রবানিয়ে তখন কোরো। মিথ্যে রুষ্টুমি॥