শেষ লেখা

রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর (1861–1941)

উদয়ন। ১৯৪১

প্রকাশ ভাদ্র ১৩৪৮পুনর্‌মুদ্রণ বৈশাখ ১৩৪৯, কার্তিক ১৩৫০, ফাল্গুন ১৩৫১ভাদ্র ১৩৫৫, বৈশাখ ১৩৬৩, ফাল্গুন ১৩৬৭ফাল্গুন ১৩৭২, শ্রাবণ ১৩৮২বৈশাখ ১৩৯৩ : ১৯০৮ শক

© বিশ্বভারতী

প্রকাশক শ্রীজগদিন্দ্র ভৌমিকবিশ্বভারতী। ৬ আচার্য জগদীশ বসু রোড। কলিকাতা ১৭মুদ্রক শ্রীজয়ন্ত বাক্‌চিপি. এম. বাক্‌চি অ্যাণ্ড কোম্পানি প্রাইভেট লিমিটেড১৯ গুলু ওস্তাগর লেন। কলিকাতা ৬

এই গ্রন্থের নামকরণ পিতৃদেব করিয়া যাইতে পারেন নাই।

‘শেষ লেখা’র কয়েকটি কবিতা তাঁহার স্বহস্তলিখিত; অনেকগুলি শয্যাশায়ী অবস্থায় মুখে মুখে রচিত, নিকটে যাঁহারা থাকিতেন তাঁহারা সেগুলি লিখিয়া লইতেন, পরে তিনি সেগুলি সংশোধন করিয়া মুদ্রণের অনুমতি দিতেন।

‘সমুখে শান্তিপারাবার’ গানটি ‘ডাকঘর’ নাটিকার অভিনয়ের জন্য লিখিত হইয়াছিল। এই অভিনয়ের সংকল্প কার্যে পরিণত হয় নাই; গানটি তাঁহার দেহান্তের পর গীত হয়, পূজনীয় পিতৃদেব এইরূপ অভিপ্রায় প্রকাশ করিয়াছিলেন। অদনুসারে ইহা তাঁহার পরলোকযাত্রার পর (২২শে শ্রাবণ ১৩৪৮) সন্ধ্যায় শান্তিনিকেতন-মন্দিরে ও ৩২শে শ্রাবণ শ্রাদ্ধবাসরে শান্তিনিকেতনে গীত হয়।

ভ্রমক্রমে বিভিন্ন সাময়িক পত্রে ‘সমুখে শান্তিপারাবার’ গানটির ষষ্ঠ পঙ্‌ক্তিতে ‘জ্যোতি ধ্রুবতারকার’ স্থলে ‘জ্যোতির ধ্রুবতারকা’ পাঠ এবং ‘দুঃখের আঁধার রাত্রি বারে বারে’ কবিতাটির চতুর্থ পঙ্‌ক্তিতে ‘কষ্টের বিকৃত ভান’ স্থলে ‘কষ্টের বিকৃত ভাল’ পাঠ ছাপা হইয়াছে। প্রথম ভ্রমটি শ্রীনলিনীকান্ত সরকার সর্বপ্রথম অনুমান করেন ও এ বিষয়ে আমাদের দৃষ্টি আকর্ষণ করেন।

‘বিবাহের পঞ্চম বরষে’ কবিতাটি শ্রীমতী নন্দিতা দেবীর বিবাহের পঞ্চম বার্ষিকী উপলক্ষে রচিত।

‘তব জন্মদিনের দানের উৎসবে’ কবিতাটি শ্রীমতী নন্দিতা দেবীর জন্মদিন উপলক্ষে রচিত।

‘দুঃখের আঁধার রাত্রি বারে বারে’ কবিতাটি পিতৃদেব মুখে মুখে বলিয়াছিলেন এবং পরে সংশোধন করিয়া দিয়েছিলেন।

‘তোমার সৃষ্টির পথ রেখেছ আকীর্ণ করি’ কবিতাটিও এইরূপ মুখে মুখে রচিত, কিন্তু এটি সংশোধন করিবার অবসর ও সুযোগ তাঁহার হয় নাই।

ভাদ্র ১৩৪৮

শ্রীরথীন্দ্রনাথ ঠাকুর

পত্রাঙ্ক